নির্দেশিকাকে তোয়াক্কা না করে প্রতিমাসেই ঋণগ্রহীতাদের চাপ সৃষ্টি করছে বন্ধন ব্যাংক

নতুন প্রতিনিধি, কদমতলা, ১১ জুন৷৷ করোনা ভাইরাস মহামারীর ফলে গোটা দেশে চলছে আনলক ওয়ান৷ তবে লকডাউন এর ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন গোটা দেশের সাথে রাজ্যের একাংশ শ্রমজীবী মানুষ৷ আর তাদের কথা মাথায় রেখে ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্দেশিকা জারি করেছিলেন যেন তিন মাস পর্যন্ত লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারি কিংবা বেসরকারি ব্যাংক গুলোতে যারা ঋণ গ্রহীতা রয়েছেন তাদের কিস্তি আদায় এর জন্য যাতে চাপ সৃষ্টি না করা হয়৷ কিন্তু নির্দেশিকাকে তোয়াক্কা না করে প্রতিমাসেই ঋণগ্রহীতাদের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ৷ ত্রিপুরা উত্তর জেলার গ্রামীণ এলাকাগুলোতে দিন আনতে পান্তা ফুরায় মানুষেরা বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে বন্ধন ব্যাংক কর্তৃক ঋণ নিয়ে ছোটখাটো ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন৷ কিন্তু এই মহামারীর জেরে লকডাউন এর ফলে আজ পুরোপুরিভাবে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ঐসব মানুষগুলো৷ বিশেষ করে ঋণের চাপ মাথায় নিয়ে দিশেহারা একাংশ গ্রামীণ এলাকার মহিলারা৷ উত্তর জেলার কদমতলা ব্লকের অধীন পূর্ব ফুলবাড়ী ১ নং ওয়ার্ডের অনামিকা গ্রুপ এবং শ্রাবণী গ্রুপের সদস্য সদস্যরা মিলে এবিষয়ে প্রতিবাদ জানান৷ তারা কদমতলা বন্ধন ব্যাংকের শাখা থেকে ঋণ নিয়ে কোনভাবে জীবিকা নির্বাহ করে ব্যাংকের কিস্তি ও দিয়ে যাচ্ছিলেন নিয়মিত৷ কিন্তু লাগাতর লকডাউন এবং বর্তমানে আনলক ওয়ান এর ফলে সম্পূর্ণ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তারা৷ এদিকে বন্ধন ব্যাংক কর্তৃক কিস্তি আদায়ের জন্য তাদের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনামিকা এবং শ্রাবণী গ্রুপের প্রায় শতাধিক সদস্যারা৷ তাদের দাবি এই লকডাউন পরিস্থিতিতে ছয় মাস পর্যন্ত তাদের কিস্তি মুকুব করার জন্য৷ পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা নিয়মিত কিস্তি প্রদান করে যাবেন বলে জানান অসহায় খেটে খাওয়া মহিলারা৷

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যাট খুলুন
1
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান
হেলো, 👋
natun.in আপনাকে কিভাবে সহায়তা করতে পারে?