নতুন প্রতিনিধি, সোনামুড়া, ১৭ মে৷৷ লক ডাউনের দূষনমুক্ত নির্মল পরিবেশে গ্রীষ্ম কালীন ফুলে অপরূপ সাজে সেজে উঠেছে সোনামুড়ার পল্লী ও প্রকৃতি। এর হটস্পট বলা যেতে পারে সোনামুড়া বালিকা বিদ্যালয় এলাকাকে। চোখ ধাঁধানো লালটুকটুকে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, বিশাল এলাকাজুড়ে হালকা গোলাপি বর্ণের বার্মিজ ক্যাসিয়া, তার মাঝে সুমিষ্ট সুবাসের বকুল আর চাম্পা ফুলে ভিন্ন সাজে সেজে ওঠেছে এবছর সোনামুড়া শহরের এই প্রাণ কেন্দ্রটি।সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে সোনামুড়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই হটস্পটটি। পশ্চাৎ পটভূমিতে নীল আকাশ। মাঝে ধবধবে সাদা সোনামুড়া দ্বাদশ শ্রেণী বালিকা বিদ্যালয়ের ত্রিতল ভবন। আবহাওয়ার বৈচিত্র্যে গত কয়েকদিন ধরে দেখা যাচ্ছে কখনো নীলাকাশে ভেসে আসে সাদা মেঘ, কখনো আবার ঢেকে যায় কালো মেঘে।দুই মাস হতে যাচ্ছে করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধে চলমান লক ডাউন। এর ফলে আগেকার মত যান চলাচল নেই রাস্তায়, সেভাবে আনাগোনা নেই মানুষেরও। অচল যন্ত্র সভ্যতা, কলকারখানাও। ধূলা বালি নেই, আগুন নেই, ধোয়া নেই, অত্যাচার অবিচার নেই, ময়লা আবর্জনার স্তূপ জমছে না রাস্তার পাশে। অনেকটাই শান্ত হয়ে আছে প্রকৃতি। শীতল স্নিগ্ধ কোলাহল বিহীন নির্মল পরিবেশ। অবস্থা অনুকূলে থাকুক আর প্রতিকূলে, সোনামুড়ার পল্লী ও প্রকৃতি সেজে চলেছে তার আপন খেয়ালেই। তার অলঙ্কার নাম জানা অজানা নানা বৈচিত্র্যের ফুল। রাস্তার ধারে বন দপ্তরের লাগানো হাজারের মধ্যে বেঁচে রয়েছে মাত্র দুচারটি গাছ। সবুজের মহাসমারোহে গ্রীষ্মের লাল, হলুদ, সাদা, গোলাপি, বেগুনী ফুলের গাছ গুলো রাতের আকাশের তারকার মত যেন বিকিরণ করছে পল্লী ও প্রকৃতির মাঝে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হচ্ছে নব নির্মিত টাউন হলের সামনে সোনামুড়া দ্বাদশ শ্রেণী বালিকা বিদ্যালয়টি।এখানে বিশালাকার কয়েকটি বার্মিজ গোলাপি ক্যাসিয়া ফুলের গাছ গত কয়েক দিনে এলাকার চিত্রটিকে পালটে দিয়েছে। তার মাঝে রয়েছে ঘন সবুজ চিকন চিকন পাতার ভাঁজে কৃষ্ণ চূড়ার অপূর্ব উপস্থাপনা।পাশাপাশি রয়েছে সোনালী চাঁপা, বকুল ফুলের সুগন্ধি পরিবেশ। এর পাশাপাশি কিছু বিরল প্রজাতির সাইকাস,ফক্স টেইল পাম গাছও বাড়িয়ে দিয়েছে প্রকৃতির অপরূপ শোভাকে।