নতুন প্রতিনিধি,কদমতলা, ৫ মার্চ।। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুৎসা ফটো পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার এক যুবক।ধৃত যুবকের নাম সুমন্ত নমঃ।সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি কুৎসা ফটো শেয়ার করায় ধৃত যুবকের নামে কদমতলা থানায় মামলা।ধৃত যুবকের বাড়ি কদমতলা থানাধীন সরসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নং ওয়ার্ডে। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, উত্তর জেলার কদমতলা থানাধীন সরসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নং ওয়ার্ডের আমটিল্লার বাসিন্দা সুমন্ত নমঃ (৩৬) পিতা মানিক মোহন নমঃ গত ১ লা মার্চ রাত্রি আনুমানিক ৯ টা নাগাদ সোশ্যাল মিডিয়া অর্থাৎ তার ফেসবুক একাউন্টে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুৎসা ফটো পোস্ট শেয়ার করে। সুমন্ত নমঃ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে নরেন্দ্র মোদির কুৎসা ফটো শেয়ার করার পর কদমতলা এলাকার জৈনক সজল গোস্বামী ও জহুর উদ্দিন নামের দুই ব্যক্তি কদমতলা থানায় সুমন্ত নমের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগকারীদের দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামে কুৎসা, কুৎসা ফটো পোস্ট ও শেয়ার করে গুরুতর অন্যায় করেছে ওই ব্যক্তি। দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামে ও কুৎসা ফটো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা সম্পূর্ণ আইনবিরোধী, অসাংবিধানিক।শুধু প্রধানমন্ত্রীর নামে কুৎসা অপপ্রচার করেনি ওই বকাটে ব্যক্তি। দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নামেও এর পূর্বে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসা ছড়িয়েছে। তাই ওই যুবকের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে কদমতলা এলাকার জৈনক দুই নাগরিক সুষ্ঠু বিচার চেয়ে কদমতলা থানায় সুমন্ত নমের নামে মামলা করেছেন।
এদিকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে কদমতলা থানার পুলিশ সরসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আমটিল্লার বাসিন্দা সুমন্ত নমকে গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে সে কদমতলা থানার হেফাজতে রয়েছে। অপরদিকে কদমতলা থানার সেকেন্ড ওসি অর্থাৎ এস আই সাধন মজুমদার জানিয়েছেন, উনারা অভিযোগ মূলে সুমন্ত নমঃ নামের ব্যক্তিকে আটক করেছেন। তবে দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামে ও কুৎসা ফটো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা আইনত অপরাধ। সুতরাং কদমতলা থানার পুলিশ ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে দেখছে।
এখন দেখার বিষয় পুলিশ দেশের প্রধানমন্ত্রীর নামে কুৎসা ছড়ানোকারী ব্যক্তিকে কি শাস্তি প্রদান করে?